আগামী দুই বছরের মধ্যে সারাদেশে নিবন্ধিত ১৪ লক্ষাধিক শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যেতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।
ওয়ার্কার্স পার্টির এমপি অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, বিগত সরকারের আমলে প্রথমবারের মতো নিবন্ধিত মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের মধ্য থেকে ইতোমধ্যে দুই হাজারেরও বেশি শ্রমিক সেখানে পাঠানো হয়েছে। তাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে পর্যায়ক্রমে বাকিদের পাঠানো হবে।
স্বতন্ত্র এমপি ছবি বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে নিবন্ধিত কর্মীরা প্রথম পর্যায়ে ৩৩ হাজার টাকায় মালয়েশিয়া গেছে। বর্তমানে শ্রমিকদের মালয়েশিয়া যেতে খরচ মাত্র ২৭ হাজার টাকা। তিনি আরো জানান, জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে কর্মী নির্বাচনের এই প্রক্রিয়ায় কোনো অঞ্চল ও জেলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ নেই।
জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন জানান, বিদেশ থেকে ১৪ হাজার শ্রমিকের লাশ ফেরত আসার বিষয়টি দুঃখজনক। তবে স্বল্প জনবল নিয়ে বিদেশে অবস্থানরত এক কোটি প্রবাসী শ্রমিককে দেখভাল করাও কঠিন। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি। তবে কোথাও প্রবাসী শ্রমিকের মৃত্যু ও নির্যাতনের জন্য কোনো কর্মকর্তার অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আওয়ামী লীগের তালুকদার মো. ইউনুসের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে অভিবাসী শ্রমিক ও পেশাজীবীদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসে ১৬টি শ্রম উইং কাজ করছে। এছাড়া আরো ১২টি শ্রম উইং প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস